• ঢাকা
  • মঙ্গলবার:২০২৪:ফেব্রুয়ারী || ২১:২১:০০
প্রকাশের সময় :
ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৩,
১২:০৫ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :
ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৩,
১২:০৫ অপরাহ্ন

৫২০ বার দেখা হয়েছে ।

সাপ্তাহিক আমাদের রূপগঞ্জের আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন

সাপ্তাহিক আমাদের রূপগঞ্জের আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন

সাপ্তাহিক আমাদের রূপগঞ্জ পত্রিকার আয়োজনে একঝাঁক সাংবাদিকের অংশগ্রহণে আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন হয়েছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি রোজ শনিবার ভোরে রূপগঞ্জের জলসিঁড়ি ও রূপগঞ্জ থানা গেইট থেকে পৃথক দুটি হাইয়েজ গাড়িতে চড়েন সাংবাদিকরা।

পরে উপজেলার গোলাকান্দাইল চৌরাস্তায় মিলিত হয়ে পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. হানিফ মোল্লার নেতৃত্বে ২০জন সাংবাদিক চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। যাত্রা শুরুর মুর্হুতে রুটি, কলা ও চা নাস্তা করেন সাংবাদিকরা। পরে ২ঘন্টা পর গাড়ি পৌচ্ছে যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ^রোড। সেখানকার একটি হোটেলে সাংবাদিকরা পেট পুড়ে নাস্তা করেন। কেউ পরাটার সাথে একাধিক ডিম-ভাজি, কেউবা পরাটা-ডিম-ভাজি খেয়ে কয়েক প্রকার ভর্তা দিয়ে ভাত খান। তবে নাস্তা করতে গিয়ে যে সবচেয়ে বেশি খেয়েছেন তাকে আমাদের রূপগঞ্জ পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

সর্বোচ্চ পেটুক ব্যক্তি ৩টি পরাটা, ৪টি ডিম, ভাজি এবং আলুর ভর্তা, টমোটো চাসনি, পাতলা ডাল দিয়ে ২ প্লেট ভাত খেয়েছেন। পরে বেলা ১০ টা ২০ মিনিটে আবারো শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে রওনা। গাড়ি দেড় ঘন্টা চলার পর পৌছে যান শ্রীমঙ্গল শহরে। সেখানে মালপোয়া, খাঁটি ছানার মিষ্টি খাওয়া হয়। চলে কাঁঠাল, বরই, আনারস কেনার ধুম। দুপুর ১টায় পানসি রেস্টুরেন্টে ২০জন সাংবাদিক ও ২জন গাড়ি চালক এক সঙ্গে ভিআইপি লাউঞ্জে খাওয়া-দাওয়া করেন। খাসির কাচ্চির সাথে বোরহানী, সালাদের স্বাদ গ্রহণ করেন। আবার কেউ কেউ হাঁসের মাংস দিয়ে সাদা ভাত খেয়ে নেন। খাবারের সময় মনে হয় এটাই আনন্দ ভ্রমণ।

এর আগেই রূপগঞ্জ থেকে গাড়ি ছাড়ার পূর্বে প্রত্যেকে ‘সাপ্তাহিক আমাদের রূপগঞ্জ’ লোগো সমৃদ্ধ টি-শার্ট পরিধান করেন। দুপুরের খাবার শেষে লাউয়াছড়া, সাতছড়ি ঘুরে কমলগঞ্জ বাজার। সেখান থেকে মাধবপুর লেক। সেখানে শত শত গাড়ি নিয়ে হাজার হাজার পর্যটকের ভিড়ে আমাদের রূপগঞ্জ পরিবারের সদস্যরাও যুক্ত হন। দৌড়ে ওঠেন উচু পাড়ার। চতুর দিকে পাহাড় আর পাহাড়। নিচে স্বচ্ছ পানির লেক। লেকে বিশাল আকৃতির মাছ রয়েছে। পাহাড়ের সারা শরীর জুড়ে চা-পাতার গাছ। মনমুগ্ধকর মনোরম দৃশ্যে সবাই আনন্দে আত্মহারা। শিশু থেকে বৃদ্ধদের মুখেও হাসির ঝিলিক। মন যেনো বার বার বলে বেড়ায় ‘এখানে থেকে যাও’। কিন্তু সময় সংকুলনের কারণে বিদায় নিতেই হচ্ছে। লেকের প্রবেশদ্বার গেইটে চা, শরবত, ডাব, ঝাল মুড়ি খেয়ে চলে ফটোশেসন। পরে বিকেল সাড়ে ৪টায় লাউয়াছড়া ঘুরে চলে চা-পাতা, খেলনা সামগ্রী, কসমেটিক্স আইটেম, আচার, কাঁঠাল ও আনারস কেনাকাটা সেরে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হয়।

পথে পথে বিরতি। অবশেষে রাত সাড়ে ১১টায় রূপগঞ্জের ভুলতাস্থ গোলাকান্দাইল চত্বরে এসে গাড়ি থামে। সবাই সকলের সুস্থ্যতা কামনা করে প্রত্যেকেই যার যার বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে যান। তবে সর্বশেষ ওই গাড়ি দুটির একটি রূপগঞ্জ থানা ঘাট ও অপরটি দক্ষিণবাগ, বাগবেড়, ইছাপুরা, জলসিঁড়ি হয়ে ভক্তবাড়ি গিয়ে শেষ হয়।

আমাদের রূপগঞ্জ পত্রিকার আনন্দ ভ্রমণে অংশ নেন সাপ্তাহিক আমাদের রূপগঞ্জ পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রুহুল আমিন, বার্তা সম্পাদক সাকের মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার সুলতান মহিউদ্দিন, গোলজার হোসেন ভুঁইয়া, রাশেদুল ইসলাম, সোহেল ভুঁইয়া, বিপ্লব মিয়া, আল আমিন, রাজু আহম্মেদ, রাকিবুল ইসলাম রাসেল, বিনয় চন্দ্র ঘোষ, তুহিন, রাসেল আহমেদ, জুয়েল, রিমন, অপু, মজিবুর রহমান, নুর মোহাম্মদ, সোহাগ।

সর্বশেষ বিদায়কালে সকল সাংবাদিকের সুস্থ্য ও র্দীঘায়ু কামনা করেন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. হানিফ মোল্লা। আগামীতে আরো সুন্দর অনুষ্ঠানের আহ্বান জানানো হয়।