• ঢাকা
  • সোমবার:২০২৪:এপ্রিল || ১১:৪৭:৪৯
প্রকাশের সময় :
জুলাই ৩০, ২০২২,
৭:১৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :
জুলাই ৩০, ২০২২,
৭:১৩ পূর্বাহ্ন

৫৬ বার দেখা হয়েছে ।

‘শ্রীলঙ্কার চেয়েও ভয়াবহ ঘটনা ঢাকায় ঘটবে’

‘শ্রীলঙ্কার চেয়েও ভয়াবহ ঘটনা ঢাকায় ঘটবে’

বাংলাদেশের মানুষ আর এক মুহূর্তও এই সরকারকে দেখতে চায় না, সেজন্য ওই শ্রীলঙ্কার চেয়েও ভয়াবহ ঘটনা ঢাকায় ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান।
শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও জ্বালানি খাতে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে আমান উল্লাহ আমান বলেন, আজকে ঘরে বাতি নেই। পানি উঠে না। দাম বেড়েছে পানির, দাম বেড়েছে বিদ্যুতের। আজকে গ্যাসের দাম বেড়েছে। জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। জনগণ আর এক মুহূর্তও এই সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাই আজকে ওই শ্রীলঙ্কায় যে ঘটনা ঘটেছে, তার চেয়েও ভয়াবহ ঘটনা এই বাংলাদেশে এই ঢাকায় ঘটবে এবং ঘটতে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আজকে যদি জনগণের সরকার হতো তাহলে এই অবস্থা হতো না। যেহেতু এই সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়, আগের রাতে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসেছে। যেহেতু এই সরকার বিনাভোটের অবৈধ সরকার তাই এই সরকার পদত্যাগ করলেই একমাত্র এর সমাধান হতে পারে।
সরকার কি এমনিতেই পদত্যাগ করবে প্রশ্ন করে বিএনপির এই নেতা বলেন, করবে না। বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয়টি বছর আন্দোলন করে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়া আজকে কারাগারে। সেখানেও আজকে বিদ্যুৎ নেই, আজকে সারাদেশে বিদ্যুৎ নেই। এই অবস্থা চলতে পারে না। তাই যেমনি ৯০ এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছিল, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। আবার ২০২২ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে শ্লোগানটি দিয়েছেন। দেশ যাবে কোন পথে, ফয়সালা হবে রাজপথে। রাজপথ ছাড়া কোনো দিন ফয়সালা হয়নি। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠা হয়েছিল রাজপথে। ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন সফল হয়েছিল। আজকে ঢাকার জনগণ ফুসে উঠেছে, রাজপথে নেমে এসেছে। এই ঢাকার পথে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে এই হাসিনাকে সরাতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, এখনও সময় আছে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেন। তা যদি না হয় ওই পার্লামেন্টে ভোটারবিহীন এমপিরা বসে আছেন জনগণ তাদেরকে বের করে নিয়ে আসবে। ভোটারবিহীন এমপিরা সচিবালয়ে মন্ত্রী হয়ে বসে আছেন জনগণ তাদেরকে বের করে নিয়ে আসবে। তারপরও যদি পদত্যাগ না করে ওই শেখ হাসিনা চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ ওই গণভবন থেকে তাকে বের করে নিয়ে আসবে। পদত্যাগে বাধ্য করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধয়াক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে আল্লাহর রহমতে বিএনপি সরকার গঠন করবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন। সেজন্যে আজকে ঢাকার মানুষকে প্রস্তুতি নিতে হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়াপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, আবদুস সালাম আজাদ, তাবিথ আউয়াল, সাইফুল আলম নিরব, যুবদলের মামুন হাসান, মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, মহিলা দলের সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, জাসাসের জাকির হোসেন রোকন, মৎস্যজীবী দলের আবদুর রহিম, ছাত্র দলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ নেতারা বক্তব্য রাখেন।