• ঢাকা
  • সোমবার:২০২৪:এপ্রিল || ১২:০৮:৪৮
প্রকাশের সময় :
এপ্রিল ১৪, ২০২২,
১:৩৮ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :
এপ্রিল ১৪, ২০২২,
১:৩৮ অপরাহ্ন

৪৩ বার দেখা হয়েছে ।

রোজায় মেহমানদারি দিতে প্রস্তুত খাজানা

রোজায় মেহমানদারি দিতে প্রস্তুত খাজানা
সংগৃহীত ছবি

মাওলা আলি ।।

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রসিদ্ধ খাবারের জন্য সুপরিচিত ব্র্যান্ড খাজানা।  দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি ধরে অব্যাহত রেখেছে নানা স্বাদের রসনার ধারাবাহিকতা।

বাংলাদেশের ভোজনপ্রিয়দের কাছে সুপরিচিত নাম। বিভিন্ন সময়ের খাজানার নানা আয়োজন নগরবাসীকে মাতিয়েছে নানা স্বাদে।

গত বছর থেকে খাজানা নতুন ঠিকানায় (হাউস ৮, রোড ৫৩, গুলশান ২) নতুন আঙ্গিকে শুরু করে মেহমানদারি। কিন্তু করোনার কারণে সেবার রেস্টুরেন্টে বসে আতিথেয়তা না মিললেও এবার করোনা স্বাভাবিক হয়ে আসায় মিলবে সেই সুযোগ। সে জন্য থাকে থরে থরে সাজানো নানা স্বাদের নানা পদ।

 

আসন্ন রমজানে খাজানা নগরবাসীকে উপহার দেবে রসনাবিলাসী ইফতার। নিজে গিয়ে দেখেশুনে অর্ডার করে যেমন কেনা যাবে, তেমনি বসে মেহমানদারিও নেয়া যাবে। রয়েছে হোম ডেলিভারির সুবিধা। ফলে বাড়িতে বসেও নেয়া যাবে খাজানার ইফতারির আস্বাদ। সে জন্য করা যাবে অর্ডার বা আগাম বুকিং দেয়া যাবে ০১৭১১৪৭৬৩৭৯/০৯৬১১৬৭৭২৮৬— এই নম্বরে ফোন করে।

 

খাজানার প্রধান নির্বাহী অভিষেক সিনহা বলেন, ‘খাজানায় প্রথম রোজা থেকে চালু থাকবে ইফতার বাজার। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ইফতারের আগ পর্যন্ত। এখানে থাকবে রোল কাউন্টার, কাবাব কাউন্টার। সামনেই তৈরি করে দেয়া হবে চাহিদামতো। সে জন্য ভারত থেকে উঁড়িয়ে আনা হয়েছে শেফ।’

তিনি বলেন, এবার যেহেতু গরমকালে রোজা হচ্ছে, সেজন্য খাবার সে রকমভাবে তৈরি করা হবে। আন্তর্জাতিক মান মেনেই চলবে রান্না প্রণালি ও পরিবেশনা।

 

খাজানার সব সময়ের ফেভারিট খাজানা কেসারিয়া জিলিপি, হালিম আর বিরিয়ানি তো আছেই। না, এখানেই তালিকা শেষ নয়। বরং রয়েছে আরও নানা স্বাদের সব পদ।

 

ইফতারের আইটেমের মধ্যে রয়েছে খেজুর, দই বড়া, ফ্রুটস সালাদ, কাবলি চানা চাট, সবজি পাকোড়া, গ্রিন সালাদ, মুড়ি, কালো ছোলা ভুনা ও খাসির হালিম।

 

মূল খাবারেরর মধ্যে রয়েছে লাহরি কাবাব (চিকেন), ফিস হাড়িয়ালি কাবাব, পনির বাটার মাসালা, কড়াই পনির, মিক্সড ভেজিটেবল, তাওয়া ভেজিটেবল. ভিন্দি মাসালা, ডাল মাখানি, ডাল তরকা, চিলি চিকেন, মাটন ভুনা, কড়াই চিকেন, চিকেন দোপেঁয়াজা, হায়দ্রাবাদি মুর্গ বিরিয়ানি,  মটর পোলাও, জিরা পোলাও, সাদা ভাত ও নানা রকম নান রুটি।

 

আরও রয়েছে সিকান্দারি রান, রান দোমপোখত, ছুপা রুস্তম, কলমি ও টেংরি কাবাব,  নবাবি ফিস টিকা, মুর্গ তিলওয়ালা, চিকেন চাপ, চিকেন কাঠি রোল,  চিকেন ললিপপ,  টেংরা চিলি চিকেন, রেশমি পরাটা, প্লেন পরাটা সহ আরও অনেক পদ

 

মিষ্টি ও মিষ্টান্ন পদের মধ্যে রয়েছে মটকা লাচ্ছি, খাজানা কা জিলাপি, কেসরি ফিরনি, মিহি দানা, রাবড়ি ও বুন্দিয়া।

জাগরণ/লাইফস্টাইল/এমএ

সংগৃহীত ছবি

মাওলা আলি ।।

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রসিদ্ধ খাবারের জন্য সুপরিচিত ব্র্যান্ড খাজানা।  দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি ধরে অব্যাহত রেখেছে নানা স্বাদের রসনার ধারাবাহিকতা।

 

বাংলাদেশের ভোজনপ্রিয়দের কাছে সুপরিচিত নাম। বিভিন্ন সময়ের খাজানার নানা আয়োজন নগরবাসীকে মাতিয়েছে নানা স্বাদে।

 

গত বছর থেকে খাজানা নতুন ঠিকানায় (হাউস ৮, রোড ৫৩, গুলশান ২) নতুন আঙ্গিকে শুরু করে মেহমানদারি। কিন্তু করোনার কারণে সেবার রেস্টুরেন্টে বসে আতিথেয়তা না মিললেও এবার করোনা স্বাভাবিক হয়ে আসায় মিলবে সেই সুযোগ। সে জন্য থাকে থরে থরে সাজানো নানা স্বাদের নানা পদ।

 

আসন্ন রমজানে খাজানা নগরবাসীকে উপহার দেবে রসনাবিলাসী ইফতার। নিজে গিয়ে দেখেশুনে অর্ডার করে যেমন কেনা যাবে, তেমনি বসে মেহমানদারিও নেয়া যাবে। রয়েছে হোম ডেলিভারির সুবিধা। ফলে বাড়িতে বসেও নেয়া যাবে খাজানার ইফতারির আস্বাদ। সে জন্য করা যাবে অর্ডার বা আগাম বুকিং দেয়া যাবে ০১৭১১৪৭৬৩৭৯/০৯৬১১৬৭৭২৮৬— এই নম্বরে ফোন করে।

 

খাজানার প্রধান নির্বাহী অভিষেক সিনহা বলেন, ‘খাজানায় প্রথম রোজা থেকে চালু থাকবে ইফতার বাজার। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ইফতারের আগ পর্যন্ত। এখানে থাকবে রোল কাউন্টার, কাবাব কাউন্টার। সামনেই তৈরি করে দেয়া হবে চাহিদামতো। সে জন্য ভারত থেকে উঁড়িয়ে আনা হয়েছে শেফ।’

তিনি বলেন, এবার যেহেতু গরমকালে রোজা হচ্ছে, সেজন্য খাবার সে রকমভাবে তৈরি করা হবে। আন্তর্জাতিক মান মেনেই চলবে রান্না প্রণালি ও পরিবেশনা।

 

খাজানার সব সময়ের ফেভারিট খাজানা কেসারিয়া জিলিপি, হালিম আর বিরিয়ানি তো আছেই। না, এখানেই তালিকা শেষ নয়। বরং রয়েছে আরও নানা স্বাদের সব পদ।

 

ইফতারের আইটেমের মধ্যে রয়েছে খেজুর, দই বড়া, ফ্রুটস সালাদ, কাবলি চানা চাট, সবজি পাকোড়া, গ্রিন সালাদ, মুড়ি, কালো ছোলা ভুনা ও খাসির হালিম।

 

মূল খাবারেরর মধ্যে রয়েছে লাহরি কাবাব (চিকেন), ফিস হাড়িয়ালি কাবাব, পনির বাটার মাসালা, কড়াই পনির, মিক্সড ভেজিটেবল, তাওয়া ভেজিটেবল. ভিন্দি মাসালা, ডাল মাখানি, ডাল তরকা, চিলি চিকেন, মাটন ভুনা, কড়াই চিকেন, চিকেন দোপেঁয়াজা, হায়দ্রাবাদি মুর্গ বিরিয়ানি,  মটর পোলাও, জিরা পোলাও, সাদা ভাত ও নানা রকম নান রুটি।

 

আরও রয়েছে সিকান্দারি রান, রান দোমপোখত, ছুপা রুস্তম, কলমি ও টেংরি কাবাব,  নবাবি ফিস টিকা, মুর্গ তিলওয়ালা, চিকেন চাপ, চিকেন কাঠি রোল,  চিকেন ললিপপ,  টেংরা চিলি চিকেন, রেশমি পরাটা, প্লেন পরাটা সহ আরও অনেক পদ

 

মিষ্টি ও মিষ্টান্ন পদের মধ্যে রয়েছে মটকা লাচ্ছি, খাজানা কা জিলাপি, কেসরি ফিরনি, মিহি দানা, রাবড়ি ও বুন্দিয়া।

জাগরণ/লাইফস্টাইল/এমএ

সংগৃহীত ছবি

মাওলা আলি ।।

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রসিদ্ধ খাবারের জন্য সুপরিচিত ব্র্যান্ড খাজানা।  দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি ধরে অব্যাহত রেখেছে নানা স্বাদের রসনার ধারাবাহিকতা।

 

বাংলাদেশের ভোজনপ্রিয়দের কাছে সুপরিচিত নাম। বিভিন্ন সময়ের খাজানার নানা আয়োজন নগরবাসীকে মাতিয়েছে নানা স্বাদে।

 

গত বছর থেকে খাজানা নতুন ঠিকানায় (হাউস ৮, রোড ৫৩, গুলশান ২) নতুন আঙ্গিকে শুরু করে মেহমানদারি। কিন্তু করোনার কারণে সেবার রেস্টুরেন্টে বসে আতিথেয়তা না মিললেও এবার করোনা স্বাভাবিক হয়ে আসায় মিলবে সেই সুযোগ। সে জন্য থাকে থরে থরে সাজানো নানা স্বাদের নানা পদ।

 

আসন্ন রমজানে খাজানা নগরবাসীকে উপহার দেবে রসনাবিলাসী ইফতার। নিজে গিয়ে দেখেশুনে অর্ডার করে যেমন কেনা যাবে, তেমনি বসে মেহমানদারিও নেয়া যাবে। রয়েছে হোম ডেলিভারির সুবিধা। ফলে বাড়িতে বসেও নেয়া যাবে খাজানার ইফতারির আস্বাদ। সে জন্য করা যাবে অর্ডার বা আগাম বুকিং দেয়া যাবে ০১৭১১৪৭৬৩৭৯/০৯৬১১৬৭৭২৮৬— এই নম্বরে ফোন করে।

 

খাজানার প্রধান নির্বাহী অভিষেক সিনহা বলেন, ‘খাজানায় প্রথম রোজা থেকে চালু থাকবে ইফতার বাজার। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ইফতারের আগ পর্যন্ত। এখানে থাকবে রোল কাউন্টার, কাবাব কাউন্টার। সামনেই তৈরি করে দেয়া হবে চাহিদামতো। সে জন্য ভারত থেকে উঁড়িয়ে আনা হয়েছে শেফ।’

তিনি বলেন, এবার যেহেতু গরমকালে রোজা হচ্ছে, সেজন্য খাবার সে রকমভাবে তৈরি করা হবে। আন্তর্জাতিক মান মেনেই চলবে রান্না প্রণালি ও পরিবেশনা।

 

খাজানার সব সময়ের ফেভারিট খাজানা কেসারিয়া জিলিপি, হালিম আর বিরিয়ানি তো আছেই। না, এখানেই তালিকা শেষ নয়। বরং রয়েছে আরও নানা স্বাদের সব পদ।

 

ইফতারের আইটেমের মধ্যে রয়েছে খেজুর, দই বড়া, ফ্রুটস সালাদ, কাবলি চানা চাট, সবজি পাকোড়া, গ্রিন সালাদ, মুড়ি, কালো ছোলা ভুনা ও খাসির হালিম।

 

মূল খাবারেরর মধ্যে রয়েছে লাহরি কাবাব (চিকেন), ফিস হাড়িয়ালি কাবাব, পনির বাটার মাসালা, কড়াই পনির, মিক্সড ভেজিটেবল, তাওয়া ভেজিটেবল. ভিন্দি মাসালা, ডাল মাখানি, ডাল তরকা, চিলি চিকেন, মাটন ভুনা, কড়াই চিকেন, চিকেন দোপেঁয়াজা, হায়দ্রাবাদি মুর্গ বিরিয়ানি,  মটর পোলাও, জিরা পোলাও, সাদা ভাত ও নানা রকম নান রুটি।

 

আরও রয়েছে সিকান্দারি রান, রান দোমপোখত, ছুপা রুস্তম, কলমি ও টেংরি কাবাব,  নবাবি ফিস টিকা, মুর্গ তিলওয়ালা, চিকেন চাপ, চিকেন কাঠি রোল,  চিকেন ললিপপ,  টেংরা চিলি চিকেন, রেশমি পরাটা, প্লেন পরাটা সহ আরও অনেক পদ

 

মিষ্টি ও মিষ্টান্ন পদের মধ্যে রয়েছে মটকা লাচ্ছি, খাজানা কা জিলাপি, কেসরি ফিরনি, মিহি দানা, রাবড়ি ও বুন্দিয়া।

জাগরণ/লাইফস্টাইল/এমএ