• ঢাকা
  • শুক্রবার:২০২৪:Jun || ২২:০১:২৯
প্রকাশের সময় :
অক্টোবর ২, ২০২২,
৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :
অক্টোবর ২, ২০২২,
৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

৪৩৪ বার দেখা হয়েছে ।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে প্রায় ৪ কোটি টাকা

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে প্রায় ৪ কোটি টাকা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স দুই মাস ২৯ দিন পর খুলে ১৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে ওইসব বস্তা থেকে তিন কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও স্বর্ণ ও রূপাসহ বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে। শনিবার (০১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর গণনা শেষে দানের টাকার এ হিসাব পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এটিএম ফরহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকালে মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলা হয়। দানবাক্সগুলো খোলার পর টাকাগুলো প্রথমে ছোটবড় ১৫টি বস্তায় ভরা হয়। এরপর শুরু হয় দিনব্যাপী গণনার কাজ।

 

সাধারণত তিন মাস পর পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়। এবার দুই মাস ২৯ দিন পর মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছে। টাকা গণনা শেষে এবার রেকর্ড পরিমাণ তিন কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এটিএম ফরহাদ নেতৃত্বে সহকারী কমিশনার জোহরা সুলতানা যুথী, মোছা. নাবিলা ফেরদৌস, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান, পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত উদ্দিন ভূঞা, রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলামসহ রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যসহ সার্বক্ষণিক দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টাকা গণনা কাজ তদারকি করেন।

এর আগে, সর্বশেষ চলতি বছরের ২ জুলাই মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে গণনা করে তিন কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও স্বর্ণ ও রূপাসহ বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পশ্চিম প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে আনুমানিক চার একর জায়গায় ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স’ অবস্থিত। প্রায় আড়াইশ বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে, যা ভক্ত ও মুসল্লিদের আকর্ষণ করে।

সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশ্বাস রয়েছে, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর এ কারণেই মূলত দূর-দূরান্তের মানুষ এখানে মানত করতে আসেন।