• ঢাকা
  • রবিবার:২০২৪:মে || ১১:৪৮:৩২
প্রকাশের সময় :
অক্টোবর ১৬, ২০২২,
৮:৪৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :
অক্টোবর ১৬, ২০২২,
৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

৪২১ বার দেখা হয়েছে ।

নারায়ণগঞ্জে ওলামাদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা

নারায়ণগঞ্জে ওলামাদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামাদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ও খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় উপলক্ষে শনিবার আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামাদল। জেলার মদনপুরের বিশ্বজাকের মঞ্জিল এলাকায় জেলা ওলামাদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব মাজহারুল ইসলাম হিরন আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন- রূপগঞ্জ থানা ওলামাদলের সভাপতি মাওলানা মো. মজিবুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই তালুকদার, আড়াইহাজার থানা ওলামাদলের সভাপতি মাওলানা নাছিরউদ্দিন, সোনারগাঁও থানা ওলামাদলের সভাপতি মাওলানা আল আমিন, তারাব পৌর ওলামাদলের সভাপতি কামাল খান, জেলা ওলামাদল নেতা ডা. খোরশেদ আলম, শাহ জালাল, ডা. ইউনুস আলী, হাজী মোজাম্মেল হক, আব্দুল লতিফ খান, তোফাজ্জল হোসেন, শাহাজাদা, কাশেম, কবির হোসেন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপির সভানেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাকে মামলা দিয়ে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তির দাবি জানান তারা। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার্থে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় দেশের উন্নয়ন হবে না। ইতিমধ্যে দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে। গ্যাস-বিদ্যুত সংকটে আজ বহু শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধের পথে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশাহারা হয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকারের পতন হওয়া প্রয়োজন। এ সরকারের আমলে মানুষ শান্তিতে নেই। বন্দুকের জােরে সরকার টিকে আছে।
বক্তারা আরো বলেন- ২০০৩ সাল থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামাদল বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি ব্যাপকভাবে পালন করে আসছে। ওলামাদল আগামীতেও কঠোরভাবে বিএনপির কর্মসূচি রাজপথে থেকে পালনের ঘোষণা দেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামাদলের সাবেক সভাপতি সামছুর রহমান খান বেনুর রুহের মাগফেরাত কামনা ও খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনা করে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সেই সাথে নারায়ণগঞ্জ বিএনপিকে শক্তিশালী করতে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের বিকল্প নেই বলেও বক্তারা মন্তব্য করেন।