• ঢাকা
  • শুক্রবার:২০২৪:Jun || ২১:৫৫:২৩
প্রকাশের সময় :
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৩,
৪:৩৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট :
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৩,
৪:৩৬ অপরাহ্ন

৬৫১ বার দেখা হয়েছে ।

দিপু ভুইয়ার নামেই ৮৬ মামলা

দিপু ভুইয়ার নামেই ৮৬ মামলা

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর নামে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ৮৬টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় সর্বমোট ১১শ মামলার জালে আটকা পড়েছেন বিএনপির ৭০ হাজার নেতাকর্মী। এর মধ্যে অনেক মামলা বিচারিক কাজ চলমান রয়েছে। গত রোববার মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সাথে ও বিএনপির আইনজীবীদের আলাপকালে এসব তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে কেউ কেউ প্রায় ১শ মামলার আসামিও রয়েছেন। এসব মামলায় প্রতিদিন হাজিরা দিতে আদালতে আসতে হয় বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন আদালতে প্রতিদিন গড়ে ২৫টির অধিক শুধুমাত্র বিএনপি নেতাদের এসব মামলার শুনানি হয়।
জেলার ফতুল্লা, আড়াইহাজার, রূপগঞ্জ, সোনারগাঁসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে সকাল হতেই হাজিরাকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন আদালতে।
বিএনপি সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের অধিভুক্ত মামলাগুলোর মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর নামে ৮৬ টি (ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ), আজহারুল ইসলাম মান্নানের নামে ৩৬টি, গিয়াসউদ্দিনের নামে ৩৬টি, জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের নামে ২৫টি, মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের নামে ১৮টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকনের নামে ১৫টি, মহানগর বিএনপির নেতা ও কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের নামে ৭০ টি, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির নামে ৫৪টি মামলা রয়েছে।
এ ছাড়াও দলের ৭০ হাজার নেতাকর্মীকে জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত প্রায় ১১শ মামলায় আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাংচুরসহ নানা অভিযোগ আনা হয়েছে।
মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ মামলা শুরু হয়। এর মূল লক্ষ্য বিএনপি নেতাকর্মীদের মামলার জালে ফেলে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা। আমাদের নারায়ণগঞ্জের ৭০ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ১১শ মামলা রয়েছে। এর মাঝে প্রতিদিন অন্তত ৩০ টি করে মামলার শুনানি হয় আদালত। এসব মামলায় হাজিরা দিতে হাজার হাজার নেতাকর্মী আদালতে উপস্থিত হন।
তিনি বলেন, আজ ২০১৮ সালের একটি মামলায় যেখানে আমিও আসামি সেটির চার্জ গঠন করা হয়েছে। মামলায় আমি ছাড়াও কাউন্সিলর খোরশেদ, বিভা ও হাসানকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলাসহ অধিকাংশ মামলাই সাজানো এবং ঘটনা ঘটেনি এমন একটা কিছু উল্লেখ করে আমাদের আসামি করে দেয়া হয়েছে। এ মামলায় সময় দেখানো হয়েছে রাত ১১ টা ৩০ মিনিট আর যেদিনের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে সেদিন আমি বিকেলে গ্রেপ্তার হয়েছে থানায় ছিলাম রাতে। এমন এসব সাজানো মামলাগুলোতে অনেক মৃত, প্রবাসী ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আজ অন্তত ৩০ টি এমন সাজানো মামলার শুনানি হয়েছে যে কারণে আমাদের ২ হাজার নেতাকর্মীকে আজ আদালতে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। এভাবে প্রতিদিন আমাদের দলের নেতাকর্মীদের আদালতে হাজিরা দিয়ে সাজানো মামলায় সাজানো রায়ের অজানা শঙ্কায় দিন কাটাতে হয়।
নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আমীর খসরুর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি ক্রাইম বিভাগ বলতে পারবে। পরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) চাইলাউ মারমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানতে চান ‘এটি আসলে কে বললো!’ পরে ‘আমি একটা মিটিং এ আছি’ বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।